Breaking

ভাইরাস সর্ম্পকে জানুন। এবং সুরক্ষিত রাখুন আপনার কম্পিউটার.

ভাইরাস সর্ম্পকে জানুন। এবং সুরক্ষিত রাখুন আপনার কম্পিউটার.

ভাইরাস কিঃ
Virusএর সম্প্রসারিত রূপ হলঃ Vital Information resource under siege.
কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারে।মেটামর্ফিক ভাইরাসের মত তারা প্রকৃত ভাইরাসটি কপিগুলোকে পরিবর্তিত করতে পারে অথবা কপিগুলো নিজেরাই পরিবর্তিত হতে পারে। একটি ভাইরাস এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে যেতে পারে কেবলমাত্র যখন আক্রান্ত কম্পিউটারকে স্বাভাবিক কম্পিউটারটির কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। যেমন:কোন ব্যবহারকারী ভাইরাসটিকে একটি নেট ওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠাতে পারে বা কোন বহনযোগ্য মাধ্যম যথা ফ্লপি ডিস্ক,সিডি,ইউএসবি ড্রাইভ বা ইণ্টারনেটের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।এছাড়াও ভাইরাসসমূহ কোন নেট ওয়ার্ক ফাইল সিস্টেমকে আক্রান্ত করতে পারে,যার ফলে অন্যান্য কম্পিউটার যা ঐ সিস্টেমটি ব্যবহার করে সেগুলো আক্রান্ত হতে পারে।বর্তমানে অনেক পার্সোনাল কম্পিউটার (পিসি) ইণ্টারনেট ও লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত থাকে যা ক্ষতিকর কোড ছড়াতে সাহায্য করে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব, ই-মেইল ও কম্পিউটার ফাইল শেয়ারিং এর মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমন ঘটতে পারে। কিছু ভাইরাসকে তৈরি করা হয় প্রোগ্রাম ধ্বংশ করা,ফাইল মুছে ফেলা বা হার্ড ডিস্ক পূণর্গঠনের মাধ্যমে কম্পিউটারকে ধ্বংশ করার মাধ্যমে।অনেক ভাইরাস কম্পিউটারের সরাসরি কোন ক্ষতি না করলেও নিজেদের অসংখ্য কপি তৈরি করে যা লেখা,ভিডিও বা অডি ও বার্তার মাধ্যমে তাদের উপস্থিতির বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। নিরীহ দর্শন এই ভাইরাসগুলোও ব্যবহারকারীর অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে।এগুলো স্বাভাবিক প্রোগ্রামগুলোর প্রয়োজনীয় মেমোরি দখল করে। বেশ কিছু ভাইরাস বাগ তৈরি করে,যার ফলশ্রুতিতে সিস্টেম ক্র্যাশ বা তথ্য হারানোর সম্ভাবনা থাকে।
virus,ভাইরাস সর্ম্পকে জানুন,এবং সুরক্ষিত রাখুন আপনার কম্পিউটার

virus,ভাইরাস সর্ম্পকে জানুন,এবং সুরক্ষিত রাখুন আপনার কম্পিউটার

 কম্পিউটার ভাইরাস আক্রমণের লক্ষণ বা উপসর্গঃ
ক) প্রোগাম লোডিং এ বেশি সমায় লাগে।
খ) ডিস্ক থেকে যে কোন ফাইল বের করতে বেশি সময় লাগে।
গ) সংরক্ষিত ফাইল অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে। এর পরিবর্তে অজ্ঞাত কোন ফাইল চলে আসতে পারে।
ঘ) অচমকা অদ্ভুত সব নির্দেশ স্কীনে আসতে শুরু করে।
ঙ)  কোন কারণ ছাড়াই হঠাৎ কম্পিউটার বুট করতে শুরু করে।
চ)  এক্সিকিউটেবল ফাইল এর পরিবর্তন ঘটে।

ভাইরাস আক্রমনের কুফলঃ
ফাইল বা ডিস্কের বুট কোড বদলে দিয়ে ব্যবহার অনুপযোগী করে দেয়। কোন কোন ফাইলের আকৃতিকে হঠাৎ বাড়িয়ে দেয়। ভি ডি ইড (স্কিন) এর প্রদর্শিত তথ্যের বিকৃতি ঘটায় এবং ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যহত হয়। হার্ড ডিস্ককে নতুন করে ফরম্যাট করার কারনে আগের সংরক্ষিত ফাইলগুলি নষ্ট হয়ে যায়। র‌্যাম ও ডিস্কের কিছু সেক্টরকে খারাপ করে দেয়।সিস্টেমের গতি কমিয়ে দেয় এবং বিভিন্ন ফাইলকে একটি অপরিচিত নামের ফাইলের পরিবর্তিত করে দেয়।

ভাইরাস আক্রমণের হাত থেকে রক্ষাকল্পে সাবধানতাঃ
১. ভাইরাস আক্রমণের হাত থেকে রক্ষাকল্পে মাঝে মাঝে ঠিকমত বুটিং হচ্ছে কিনা তা পরীক্ষা করা
২.  অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাক আপ নেয়া।
৩. মাঝে মাঝে অ্যান্টি ভাইরাস প্রোগ্রামিং চালানো উচিৎ।
৪. সব সময় নতুন কোনো ফ্লপি,সিডি বা পেন ড্রাইভ ব্যবহার করার আগে অ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করা উচিৎ। সচেতনভাবে কোন ফ্লপি,সিডি বা পেন ড্রাইভ যা ভাইরাস বহন করছে তা অন্যকে দেয়া উচিৎ নয়।
৫. এছাড়া ও বিভিন্ন সফটওয়ারডাউনলোড এর সময় অবশ্যই অথেন্টিক সাইট থেকে  নিতে হবে
৬. ইমেইল ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতেহবে।বেনামী ইমেইল এ প্রবেশ করা যাবে না।

ভাইরাস থেকে যে কোনো কম্পিউটার কে মুক্ত করার উপায়।

ভাইরাস থেকে আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষা  সুরক্ষা দেয়ার প্রধান উপায় হচ্ছে যে কোন একটি এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা। এবং অনলাইন থেকে কোন থার্ড পার্টি অ্যাপস ব্যবহার না করা।

যদি আপনার কম্পিউটারটি ভাইরাস আক্রান্ত করে ফেলেছে তাহলে কি করবেন?
দ্রুত  যে কোন একটি এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ওপেন করে আপনার কম্পিউটারকে স্ক্যান করুন। স্ক্যান এর ফলে যে ফাইলগুলো ডিটেকটিভ হবে সেগুলো ডিলিট করে দিন।

আপনার কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেলের  অ্যাপ্লিকেশন অপশনে যে সফটওয়্যার গুলো আপনার প্রয়োজন নেই অথবা আপনার