Breaking

রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়

হিমোগ্লোবিন একটি আয়রন-রিচ প্রোটিন। এটি রক্তের এমন একটি কম্পোনেন্ট যা শরীরের নানা প্রত্যঙ্গে অক্সিজেন প্রসেসিং করার জন্যে অপরিহার্য্য। বাতাস থেকে মুক্তভাবে আমাদের ফুসফুস অক্সিজেন নেয়। আর ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে শরীরের সব রকমের টিস্যু ও অর্গানগুলোতে সাপ্লাই দেয় এই হিমোগ্লোবিন।

রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়

হিমোগ্লোবিন শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের পাশাপাশি মেটাবোলিক প্রোডাক্ট কার্বন ডাইঅক্সাইড বের করে দেয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে। শরীরের সমস্ত সেল থেকে হিমোগ্লোবিন কার্বন ডাইঅক্সাইড কালেকশন করে ফুসফুসে পাঠিয়ে দেয় আর ফুসফুস সেটাকে নি:শ্বাসের সঙ্গে বাইরে পাঠিয়ে দেয়।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে দুর্বলতা,ক্লান্তি,মাথাব্যথা,শ্বাসকষ্ট,ঝিম ধরা,ক্ষুধামান্দ্য ও দ্রুত হৃৎস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা যায়। যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনেক কম হয়,তবে রক্তাল্পতা বা এর চেয়েও মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সুস্থ জীবনযাপনে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সঠিক থাকা প্রয়োজন। কিছু খাবার খেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মান ঠিক রাখা যায়।

ভিটামিন বি১২ ,আয়রন,লৌহসমৃদ্ধ খাবার:
 মুরগির কলিজা
ডিম
ডালিম
তরমুজ
খেজুর
জলপাই
কিশমিশ
পেয়ারা
কমলা
লেবু
আঙ্গুর
সব ধরনের জাম
বেল মরিচ
টমেটো এবং
সব ধরণের সবুজ শাক-সবজি।
সবুজ পাতাবহুল শাকসবজি
শুকনো শীমের বিচি
গমের শীষ
বাদাম
কলা
ব্রোকোলি এবং
মুরগির যকৃতে রয়েছে ফলিক অ্যাসিড।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার
ফলিক অ্যাসিড:
আপেল বা আঙ্গুর :হিমোগ্লোবিনের জন্যে আয়রনের প্রয়োজনীয়তার কথা আমরা জানি। আয়রন ছাড়াও ভিটামিন বি১২ রক্তের লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিনের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।শরীরে লৌহের ঘাটতি হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।  যেমন- এ সমস্ত খাবারের হিমি আয়রনযা আমাদের শরীর ৪০% অ্যাবজর্ব করতে পারে। অন্যদিকে, খাবারে মাত্র ২০% নন-হিমি আয়রন রক্তের সঙ্গে প্রবাহিত হতে পারে। সুতরাং, যথাসম্ভব বেশি থেকে বেশি পরিমাণে হিমি আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, যা রক্তে আয়রণ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করবে।ভিটামিন সি-এর অভাবে হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে। তা ছাড়া ভিটামিন সি ছাড়া লোহা পুরোপুরিভাবে শোষণ হয় না।যেমন-ফলিক অ্যাসিড একপ্রকার ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টিতে এর দরকার হয়। এতে এমনিতেই হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টিতে বীটকে গুরুত্বপূর্ণ খাবার বলে তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা।প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে নাকি কখনো ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। প্রতিদিন একটি করে আপেল খান। কিংবা অর্ধেক আপেল ও অর্ধেক বীটের জুস বানিয়ে দিনে দুইবার খেতে হবে। ডালিমেও রয়েছ আয়রন। এতে আদা বা লেবুর রস দিতে পারেন বাড়তি ফ্লেভারের জন্য। ডালিমে রয়েছে আয়রন,ক্যালসিয়াম,ফাইবার এবং প্রোটিন।